Posts

Sanatan Dharma Kotha

Ratna Jyoti

  Ratna Jyoti Company Profile And Details Ratna Jyoti  Founded in 2004, Ratna Jyoti has grown to become the largest online retailer of certified diamonds, Gems, Real Rudraksha, and fine jewelry with all types of Astrology Services & Govt. Reg. Gem Testing and Diamond Gradation Lab. Due to our quality commitment to International Standards, we have achieved an appreciation from ISO 9001:2015. We also follow the Best Practice Principles in all stages of our business. License No: Ratna Jyoti-132/2004-2005 G.S.T No: 19ADBPN6598G1Z1 PAN No: ADBPN6598G VAT  No: 19803673067 C.S.T No: 19803673067C P.TAX No: EWP0134520 BIS Gold License No: HM/C-5190228414 BIS Silver License No: HM/C-5190228818 Export-Import IEC (DGFT) No: 0210033681 GeM Govt. Reg. Seller Id:  4DIC230008668288 Udyam Gov. Reg. No: UDYAM-WB-23-001747 Astrologer Govt. Reg. No: CAMR/294 of 2001 by 70736 Gemologist Govt Reg. No: STVT6091010078. Ratna Jyoti -International Profile Ratna Jyoti has been in the Astro...

পদ্মাসন পদ্ধতি

Image
  পদ্ধতি : : বাঁ উরুর ওপর ডান পা এবং ডান উরুর ওপর বাঁ পা রেখে মেরুদণ্ড সোজা করে বসুন। দু' হাত সোজা করে হাঁটুর ওপর রাখুন। শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকবে। এটি হল পদ্মাসন । প্রণালী - পা দুটি সামনে ছড়িয়ে সোজা হয়ে বসতে হবে। এইবার ডান পা হাঁটুর কাছ থেকে ভেঙে বাঁ জানুর ওপর রাখতে হবে। যাতে ডান পায়ের গোড়ালী তলপেটে বাঁ দিকের মূলাধার স্পর্শ করে। এখন বাঁ পা হাঁটুর কাছ থেকে ভেঙে ডান পায়ের উপর এমনভাবে রাখতে হবে, যাতে বাঁ পায়ের গোড়ালী ডান দিকের মূলাধার স্পর্শ করে। এই অবস্থায় যাতে হাঁটু ভূমি থেকে না উঠে পড়ে, সে দিকে দৃষ্টি রাখা জরুরি। এই আসনে অবস্থানকালে শির, গ্রীবা ও মেরুদণ্ড সোজা ও সরলভাবে তাকবে। হাত দুটি পাশের ছবির মতো কোলের উপর রাখলে ভালো হয়।পদদ্বয়ের এইরূপ অবস্থানের সঙ্গে পদ্মের সাদৃশ্য আছে। তাই মনে হয় এই আসনটির নাম পদ্মাসন। উপকারিতা - এই আসন অভ্যাসে পায়ের বাত ইত্যাদি দূর হয়। পদ্মাসন একটি শারীরিক অবস্থান, যাতে মেরুদণ্ড বক্র হয় না। মেরুদণ্ডের কর্মক্ষমতার উপরই আমাদের যৌবন ও স্বাস্থ্য নির্ভর করে। আমরা একে যত অবক্র ও নমনীয় রাখতে পারব, দেহভ্যন্তরের যন্ত্রগুলি তত ভালোভাবে কাজ করার দরুন আমাদের যৌব...

বিবাহিত মহিলা দিকে শাঁখা-পলা, সিঁদুর এবংলোহা ধারণ করা উচিত কেন ???

Image
  বিবাহিত মহিলা দিকে শাঁখা-পলা, সিঁদুর এবং লোহা ধারণ করা উচিত কেন ??? প্রাচীন যুগ থেকে শুরু করে বর্তমান প্রজন্মেও বিবাহিত মহিলারা শাঁখা - পলা ব্যবহার করেন স্বামীর মঙ্গল কামনায়। শাঁখা - পলা এক জন মহিলার বৈবাহিক জীবনের চিহ্ন। হিন্দু শাস্ত্র অনুসারে, শাঁখা - পলা ছাড়া বিয়ে অসম্পূর্ণ থেকে যায়। হিন্দু ধর্মের প্রতিটি বিষয়ের পেছনেই কোন না কোন নিগুঢ় অর্থ বিদ্যমান। তেমনি শাঁখা-পলা, সিঁদুর আর লোহা আমাদের হিন্দু বিবাহিত নারীরা পরে আসছে অনেক আগে থেকে। তবে বর্তমানে এগুলা না পরা অনেকটা আধুনিকতার স্বরূপ হয়ে দাড়াচ্ছে কারো কারো কাছে। তাই আসুন আজ আমরা দেখে নেই শাঁখা সিঁদুর ও লোহা পরার কারন আর কেন এটা পরা উচিৎ। শাঁখা-পলা, সিঁদুর ও লোহা ব্যবহারের তিনটি কারণ আধ্যাত্মিক, সামাজিক ও বৈজ্ঞানিক। আধ্যাত্মিক কারণ : শাঁখার সাদা রং- সত্ত্ব, সিঁদুরের লাল রং -রজঃ এবং লোহার কাল রং- তম গুণের প্রতীক। সংসারী লোকেরা তিনটি গুণের অধীন হয়ে সংসারধর্ম পালন করে। সামাজিক কারণ : তিনটি জিনিস পরিধান করলে প্রথম দৃষ্টিতেই জানিয়ে দেয় ঐ রমণী একজন পুরুষের অভিভাবকত্বে আছেন। সে কারণেই অন্য পুরুষের লোভাতুর, লোলুপ দৃষ্টি ...

অদৃষ্ট / নিয়তি / ভাগ্য / কপাল/ প্রারব্ধ কাকে বলে???

  নিয়তি অর্থাৎ আমাদেরই পূর্বজঃ কর্মের কর্মফলকে আমরা ভাগ্য বা নিয়তি রূপে এই জন্মে পাই। যোগশাস্ত্রে একে *প্রারব্ধ* বলেছে, সাধারণ মানুষ *কপাল* বলে থাকে এবং এবং জ্যোতিষ শাস্ত্রে ভাগ্য ও নিয়তি বলে। যেহেতু নিয়তির লিখনকে স্থূল চক্ষুর দ্বারা দেখা সম্ভব না তাই তাকে চলতি কথায় অদৃষ্ট বলা হয়ে থাকে। বিভিন্ন শাস্ত্রে ভাষা আলাদা কিন্তু মূল জিনিস একই । প্রারদ্ধ বা নিয়তির লিখন থাকে আমাদের *কুটস্থে* , যা স্থূল শরীরের মধ্যে থাকা সুক্ষ শরীর, তার মধ্যে থাকা কারণ শরীরে আজ্ঞা চক্রের  কুটস্থ মধ্যে অবস্থিত। কর্ম এই কুটস্থে সঞ্চিত হয়। প্রত্যেক জন্মে মানুষ যে যে কর্ম করে সেগুলি কুটস্থে সঞ্চিত হয়। এবং সেই সঞ্চিতের স্ফুটের মধ্যে যে যে স্ফুট গুলি দীর্ঘতম হয়, সেইগুলি পরবর্তী জন্মে প্রারব্ধ বা নিয়তি রূপে আসে। ভাগ্য / অদৃষ্ট কে স্থূল চক্ষুর দ্বারা দেখতে পাওয়া যায় না কিন্তু দিব্য চক্ষুর দ্বারা অবশ্যই দেখতে পাওয়া যায়।  নিয়তিকে গণনা অবশ্যই করা যায়, কিন্তু ত্রিলোকের কোনো শক্তি নিয়তিকে খন্ডন করেন না। নিয়তিকে যদি কোন ভাবে খন্ডন করা হয় তাহলে তার প্রতিক্রিয়ায় প্রকৃতি সেই খন্ডিত নিয়তির ভো...

ভারত বর্ষের প্রায় ৪ হাজার বছরের রাজত্ব

Image
  মহাভারতে উল্লেখিত কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের পরবর্তী রাজাদের তালিকাঃ ইন্দ্রপ্রস্থের শেষ রাজা যশপাল। যুধিষ্ঠির থেকে যশপাল পর্যন্ত ১২৪ জন রাজা রাজত্ব করেছিলেন মোট ৪,১৭৫ বছর ৯ মাস ১৪ দিন। এরই মধ্যে রাজা যুধিষ্ঠির প্রভৃতি আনুমানিক ৩০ পুরুষ ১৭৭০ বছর ১১ মাস ১০ দিন রাজত্ব করে। ০১। রাজা যুধিষ্ঠির = ৩৬ বছর ৯ মাস ১৪ দিন। ০২। রাজা পরীক্ষিত = ৬০ বছর ৮ মাস ২৫ দিন। ০৩। রাজা জনমেজয় = ৮৪ বছর ৭ মাস ২৩ দিন। ০৪। রাজা অশ্বমেধ = ৮২ বছর ৮ মাস ৩২ দিন। ০৫। দ্বিতীয় রাম = ৮৮ বছর ২ মাস ৮ দিন। ০৬। ছত্রমল = ৮১ বছর ১১ মাস ২৭ দিন। ০৭। চিত্ররথ = ৭৫ বছর ৩ মাস ১৮ দিন। ০৮। দুষ্টশৈল্য = ৭৫ বছর ১০ মাস ২৪ দিন। ০৯। রাজাউগ্র সেন = ৭৮ বছর ৭ মাস ২১ দিন। ১০। শূরসেন = ৭৮ বছর ৭ মাস ২১ দিন। ১১। ভুবনপতি = ৬৯ বছর ৫ মাস ৫ দিন। ১২। রণজিৎ = ৬৫ বছর ১০ মাস ৪ দিন। ১৩। ঋক্ষক = ৬৪ বছর ৭ মাস ৪ দিন। ১৪। সুখদেব = ৬২-০-২৪ ১৫। নরহরিদেব = ৫১-১০-০২ ১৬। সুচিরথ = ৪২-১১-০২ ১৭। শূরসেন (২য়) = ৫৮-১০-০৮ ১৮। পর্বতসেন = ৫৫-০৮-১০ ১৯। মেধাবী = ৫২-১০-১০ ২০। সোনচীর = ৫০-০৮-২১ ২১। ভীমদেব = ৪৭-০৯-২০ ২২। নৃহরিদেব = ৪৫-১১-২৩ ২৩। পূর্ণমল = ৪৪-০৮-০৭ ২৪। করদবী = ৮৮-...