Posts

শাস্ত্র সাপেক্ষে নিষিদ্ধ খাবারের সূচী

  শাস্ত্র অনুসারে যিনি সারাদিনে একবারই পূর্ণ খাদ্য ভোজন করেন – শাস্ত্রে তাকে যোগীর লক্ষণ বলেছে আর যিনি সারাদিনে 2 বার  পূর্ণ খাদ্য ভোজন করেন – শাস্ত্রে তাকে ভোগীর লক্ষণ বলেছে  যিনি সারাদিনে 3 বার অথবা তার বেশিবার পূর্ণ খাদ্য ভোজন করেন – শাস্ত্রে তাকে রোগীর লক্ষণ বলেছে আহার = খাদ্য খাওয়া=খাদ্য ভোজন   খাবার বাছাই করা একটি ব্যাক্তিগত, পরম্পরাগত ও নির্দিষ্ট মতবাদের বিশ্বাসের উপর নির্ভরশীল। কাজেই এমন অনেক হিন্দু আছেন যারা তাদের বংশানুক্রমিক পরম্পরা ও বিশ্বাসের জন্য কিছু জিনিস খাওয়া ত্যাগ করেছে। যেমন – ভারতের অনেক বৈষ্ণব সম্প্রদায় ভুক্ত হিন্দু (উত্তর ভারত) আছেন যাদের বাড়িতে মাছ তোলা নিষিদ্ধ। আবার অনেকের হিন্দু বাড়িতে (উত্তর-পশ্চিম ভারত) মাছ মাংশ দুটোই তোলা নিষিদ্ধ। কাজেই হিন্দুদের মধ্যে পরম্পরাগত, ব্যাক্তিগত ও বিশ্বাসী মতবাদগত ফ্যাকটর গুলির উপর অনেক অংশে নির্ভর করে নিষিদ্ধ খাবার গুলি বাছাই এর ক্ষেত্রে। তাই কারো ব্যাক্তিগত বা পরম্পরাগত পছন্দ তে হস্তক্ষেপ করার জন্য এই নিবন্ধটি লিখা হয়নি! বরং উক্ত নিবন্ধটি সেইসব সনাতন ধর্মালম্বীদের জন্য লিখা হয়েছে যারা  সনাতন বৈদিক...

অহিংসা পরমো ধর্ম্ম

  अहिंसा परमं सत्यम अहिंसा परमं शरुतम॥  অহিংসা হল সর্বোচ্চ সত্য এবং পরম ধর্ম   ॥ “অহিংসা পরম ধর্ম” – এই মহাজনোক্তি আমরা ছোটকাল হতে শুনে বড় হয়েছি। আমাদের রক্তমাংস অস্থিমজ্জায় এই বাণী প্রোথিত হয়ে আছে। অধিকাংশ ধর্মগুরুগণ আমাদের এই শিক্ষা দিয়ে থাকেন। কিন্তু এই শ্লোকটি সম্পূর্ণ শ্লোক নয়, শাস্ত্রে লেখা সম্পূর্ণ শ্লোকটি নিচে দিচ্ছি:---- অহিংসা পরমো ধর্ম্ম, ধর্ম্ম হিংসা তথৈব চ  ॥   অর্থাৎ অহিংসা মনুষ্য জীবনের পরম ধর্ম , এবং ধর্ম রক্ষার জন্যে হিংসা করা তার চেয়েও শ্রেষ্ঠ  ধর্ম  ॥   অথবা   অহিংসা পরম ধর্ম কিন্তু ধর্মের রক্ষা হেতু হিংসা শ্রেয় ধর্ম   ॥  অহিংসা পরম ধৰ্ম্মস্তথাহিংসা পরো দমঃ। অহিংসা পরমং দানমহিংসা পরমং তপঃ॥ অহিংসা পরমাে যজ্ঞস্তথাহিংসা পরম ফলম্। হিংসা পরমং মিত্রমহিংসা পরমং সুখম। অহিংসা পরমং সত্যমহিংসা পরমং শ্রুতম্ ॥ সর্বযজ্ঞেসু বা দানং সর্বতীর্থেসু বাপ্লুতম। সর্ব্বদানফলং বাপি নৈতত্তুল্যমহিংসয়া ॥ অহিংস্রোস্য তপােহক্ষয্যমহিংস্রোস্য যজতে সদা। অহিংস্রঃ সর্বভূতানাং যথা মাতা যথা পিতা।। এতৎ ফলমহিংসাযা ভূষশ্চ কুরুপুঙ্গব!। ন হি শক্যা গু...